মানুষের জীবনে স্বপ্ন পূরণের হাজারো আকাঙ্ক্ষা থেকে থাকলেও তা বাস্তবে আনা সম্ভব কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং লেগে থাকার মাধ্যমে যা আমরা দেখতে পাই, “শাহনাওয়াজ হোসেন জয়” স্যার এর জীবন থেকে। চলুন আমরা জেনে নিই তার গল্প।
শিক্ষাজীবনের ছোটবেলা থেকে বতমার্ন সময়টা যদি ছোট করে শেয়ার করতেন স্যার?
আমার জন্ম- জয়পুরহাটে। SSC- Bogura B.M. College ও HSC – সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে শেষ করেছি। পরবর্তীতে Honours – English in Rajshahi University এবং Master’s – ELT in RU, University of Sussex – For Linguistic language হতে সম্পূর্ণ করি।
তারপর Covid এর সময় দেশে ব্যাক করে 10min school এ ১০ মাস Subject matter expert হিসেবে কাজ করেছিলাম। এরপর England এ গিয়ে Dignity University তে ১৪-১৫ মাস teacher হিসেবে ছিলাম। এছাড়া PGCLT এর জন্য Teacher Fellowship পেয়েছিলাম British Higher Academy তে।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে Brac University তে Teacher হিসেবে জয়েন করি। ২বছর ধরে এখন এখানেই কাজ করছি। আর ভালো লাগার জায়গা বলতে আমার Linguistic and Socio-phonics এগুলো নিয়ে কাজ করতে ছাত্রদের পড়াতে ভালো লাগে।
সবাই ডাক্তার, ইন্জিনিয়ারিং,উকিল এসবে ফোকাস করে আপনি কেন শিক্ষকতা পেশা বেছে নিয়েছেন?
বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় ২য় বর্ষ থেকে নিজের একটা Academy খুলি সেখানে English পড়ানোর মাধ্যমে ভালো একটা সাড়া পাই। Students দের সাথে আমার ভালো সখ্যতা গড়ে ওঠে। তারা যখন বিভিন্ন জায়গায় বলে আমাকে নিয়ে বা সেরকম প্রশংসা করে সেই বিষয়টা আমি খুবই উপভোগ করি। অন্য profession যাওয়ার চিন্তা করি, তখনই দেখি আমার পুরোনো students রা তাদের নিজেদের সফলতার কথা এবং আমার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। সেই বিষয়টা নিয়ে তখন আমি নিজের মধ্যে গর্ববোধ করি। আর ১৫ বছর ধরে এই শিক্ষকতা পেশায় আছি, আসলে সেটা খুবই উপভোগ করি। এই জন্য শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নেওয়ার পর অন্য কোথাও ফোকাস করার ইচ্ছে হয়নি।
আপনার সফলতা আর ব্যর্থতার গল্পটা যদি শেয়ার করতেন?
সফলতা বলতে গেলে শিক্ষকতায় এসে অনেক রকমের students এর সাথে পরিচয় হওয়া, কখনো কোন ভিডিও বা লেখালেখিতে যখন কেও তার নিজের জীবনের কোন stage এ আমার ভূমিকার কথা তুলে ধরে সেটা খুবই ভালো লাগার একটা জায়গা তৈরি করে যা আমি আমার সফলতা হিসেবে দেখি।
আর ব্যর্থতার কথা বলতে গেলে এখন সব ধরনের students যে ১০০% মনোযোগ দিবে তা তো হয়না, তাদের অমনোযোগিতার কারণে আমি আমার ১০০% তাদেরকে দিতে পারি না সেটাকে আসলে মেনে নিতে হয়। আর সবচেয়ে বড় কথা ভালো সময় আর খারাপ সময় কখনো দীর্ঘকালীন থাকে না।
বর্তমানের সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে কি কি গুণাবলী থাকা প্রয়োজন?
- Resilience – নিজের কাজের মাধ্যমে যেকোনো পরিস্থিতি থেকে Comeback করা মানসিকতা।
- Communication – এখনও অনেক মানুষ আছে যে তারা বুঝে না কীভাবে ও কখন মানুষের সাথে approach করতে হয়। সেটা অনেক ভালো students দের ক্ষেত্রে তাদের এই lackings এর জন্য অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
- Adaptability – Learning new things এটা সবারই দরকার।
আপনার জীবনের সবচেয়ে এমন কোনো valuable advice যা shareable?
- This too shall pass- খারাপ সময় হোক বা ভালো সময় সবটাই ক্ষণস্থায়ী। খারাপ সময় আসছে নিজেকে সেভাবে মানসিক ভাবে মেনে নিয়ে সামনে আগাতে হবে যাতে সেটা কেটে গিয়ে ভালো সময় আসে।
- Also Have learned overtime – Health এর থেকে বড় কিছু হয় না।
আমি Agriculture background এ আছি যদি এই ব্যাপারে কিছু আমাকে দেয়ার হয় সেটা কি হবে?
বতর্মান শতাব্দী হোক বা আগামী শতাব্দীতেও agriculture এর depth অনেক বেশি। এখানে অনেক বেশি sector রয়েছে। Research এর scope আছে প্রচুর, Sustainable agriculture আছে। Fitness নিয়ে যদি কথা বলা হয় তাহলে আসে healthy food দরকার আর যদি broader mind এ বলতে গেলে সেটা agriculture। বাংলাদেশে যত দ্রুত সম্ভব সেটাকে আরও integrate করা দরকার তাহলে আরও বেশি উন্নতি করা সম্ভব।
Master’s অথবা Phd এর জন্য যারা বাহিরে পড়তে যাবে তাদের জন্য কি advice থাকবে আপনার?
সব থেকে বড় ফ্যাক্টর হচ্ছে নিজের রেজাল্ট ভালো রাখা। এছাড়াও অনেকে club activities তে যুক্ত থাকে। এর থেকে বেটার অপশন হচ্ছে, ১-২ টা জায়গায় ভালো কোন উদ্দেশ্য কাজ শেখা। তা হতে পারে teacher এর under এ থেকে তার data collection এ হেল্প করা। Volunteery কাজে সাহায্য করা। Communication রাখা কোন সময় কোনটা নিজের জন্য সেটা বোঝা।
এভাবেই আমরা ইতি টেনেছি একজন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বের জীবন গল্পে’র। অর্থাৎ কিছু হ্যাকস প্রয়োগ করলে জীবনে নিঃসন্দেহে এগিয়ে যাওয়া স্বম্ভব। আর শিক্ষকতা পেশা হচ্ছে একটি মহৎ পেশা। যার ফল স্বরূপ আমরা আজ আমাদের গেস্ট “শাহনাওয়াজ হোসেন জয়” স্যারের ইন্টারভিউ মাধ্যমে ক্লিয়ার বুঝতে পেরেছি। স্যারের আগামী দিনের জন্য অনেক শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ সবাইকে।
এরকম ব্লগ আরোও পড়তে এখানে, ক্লিক করুন।
লেখক,
প্রান্ত চন্দ্র দে
ইন্টার্ন, কন্টেন্ট রাইটিং ডিপার্টমেন্ট
YSSE
