সঠিক পরামর্শ এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অন্যদেরকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে ও জীবনে উন্নতি করতে সহায়তা প্রদান করেন একজন দক্ষ ট্রেইনার এবং তার অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা। যার প্রধান ফোকাস থাকে নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান বিতরণের উপর।
আমাদের আজকের অতিথি ‘মাশাহেদ হাসান সীমান্ত’ ও এর ব্যাতিক্রম নয়। তিনি সর্বক্ষণ বিভিন্নভাবে মানুষের প্রশিক্ষণ বা কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে সচেষ্ট। তিনি মনে করেন- যখন কেউ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন, তখন তার জন্য ‘সাদকায়ে জারিয়া’ হিসেবে তিনটি পথ খোলা থাকে যার ফলে মৃত্যুর পরেও এর প্রতিদান পেতে থাকে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে – উপকারী জ্ঞান। তিনি যে ট্রেনিং বা কাউন্সিলিং গুলি অফার করেন তা এরই অংশ। তিনি আরোও যুক্ত করেন যে, তার প্রতি মুহূর্তের কাজকে ইবাদত হিসেবে দেখেন। আল্লাহ তায়ালা কখনো তার কাজকে সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করেন, তাহলে তার থেকে বড় ভাগ্যবান আর কেউ হবেন না।
চলুন তাহলে ইন্টারভিউ সাবটিমের আয়োজিত এমন একজন গুনী ব্যাক্তির শৈশব, শিক্ষাজীবন ও তার কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তার মুখেই শোনা যাক।
YSSE: স্যার, প্রথমেই আপনার সম্পর্কে জেনে নিতে চাই। আপনার শৈশব, শিক্ষাজীবন এবং বেড়ে ওঠার গল্প।
আমি আসলে একটি ভালো ফ্যামিলির পরিবেশেই বেড়ে উঠেছি,আমার বাবা মূলত বাংলাদেশের সরকারের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। আমার ফ্যামিলিতে বাবা তার শিক্ষাজীবনে বেশিরভাগ সময় ফাস্ট পজিশনে ছিলেন, এছাড়াও আমার ছোট ভাই অনার্সে এবং মা তার স্কুল-কলেজে ফাস্ট ছিলেন। বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সে ফাস্ট ক্লাস থার্ড হয়ে পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের সিভিল সার্ভিসে জয়েন করেন,চাকরির প্রথম দিকে তার পোস্টিং হয় পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলাতে, সেটা সীমান্তবর্তী এলাকা ছিল। সেখানেই আমার জন্ম হয় বিধায় বাবা আমার ডাকনাম রাখেন সীমান্ত। বাবার চাকরির সুবাধেই আমার বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়ার সুযোগ হয়। ‘আমি আমার সময় বাংলাদেশে’ তখন ছয়টি বিভাগেই আমার স্কুল লাইফে পড়ার সুযোগ হয়েছিল। আমার স্কুল ছিল ১১টি, কলেজ ২টি।
আর শৈশব এবং শিক্ষা জীবনে মধ্যে হচ্ছে,বাবা যেহেতু সরকারি চাকরিতে ছিলেন প্রচুর ব্যস্ত থাকতেন,আর মা ছিলেন হাউস ওয়াইফ কিন্তু দিনে অন্তত একটা সময় আমরা খাবার টেবিলে বসতাম তখন বাবা আমাকে আর আমার ছোট ভাই দু’জনকে গাইড করতেন। পড়ালেখায় এবং এক্সট্রা কারিকুলামে যেনো ভালো করি। এই কারনেই শৈশব থেকেই বাবা-মা আমাদের শিশু একাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দেয়। শিশু একাডেমির জাতীয় পর্যায়ে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায়’ ২০০৩ সালে আমি ‘উপস্থিত অভিনয়ে’ সিলভার মেডালিস্ট এবং পরবর্তীতে ‘উপস্থিত বক্তৃতায়’ ন্যাশনালে গোল্ড মেডালিস্ট হই। সেখান থেকেই আমার ছোট ভাইকে প্যাশন খুঁজে বের করার জন্য তাকে অনুপ্রাণিত করি, কোন বিষয়গুলো তার শিখতে ভালো লাগে,সে রিলেটেড কিছু করার জন্য।আমার ছোট ভাই ‘আবৃত্তিতে’ ন্যাশনাল গোল্ডেন এবং ‘দেশাত্মবোধক সংগীতে’ সিলভার পায়। শৈশব থেকেই বাবা-মা আমাদের দু’জনকে পড়াশোনার বাহিরেও যে আসলে কিছু শেখা যেতে পারে। সে স্বপ্নটি আমাদের মধ্যে বপন করেছেন। এছাড়া আমারা যখন উপজেলা, জেলা পর্যায়ে এ্যাওয়ার্ড পেতাম তা কখনো সেলিব্রেট করা হতো না। কারন আমাদের বলাই ছিল, যদি কোনো সেক্টরে কাজ করো তাহলে তোমাকে বাংলাদেশের সে সেক্টরে টপ থাকা লাগবে। আমাদের লক্ষ্যটা যেনো বড় হয় সে Philosophy টা শুরু থেকেই ইনক্লুড করা হয়। এইভাবেই আসলে আমার বেড়ে উঠা।
আর শিক্ষাজীবন হচ্ছে -আমি অনার্স করি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেখানে আমার মেজর এবং মাইনর ছিল মার্কেটিং ও এইচ. আর। এরপর আমি মাস্টার্স কমপ্লিট করি সরকার ও উন্নয়ন অধ্যয়নে। মাস্টার্সে আমি একটা নিবন্ধ রচনা করি সেখানে আমার স্কোর ছিল ৮৭% আউট অফ ১০০%। আমার ডিসারটেশনের যিনি সুপারভাইজশন ছিলেন, তিনি এখন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও বর্তমান বাংলাদেশ স্থানীয় সরকারের সংস্কার কমিশনের একজন প্যানেল মেম্বার হিসেবে আছেন তারিকুল ইসলাম স্যার।
YSSE: বর্তমান পরিচয় বহুমাত্রিক – প্রশিক্ষক, পরামর্শক, লেখক, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এতগুলো পরিচয়ের শুরুটা আসলে কিভাবে?
মানুষ আমাকে বেশিরভাগ চিনে সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাক্টিভিটিসের মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখালেখি ও ভিডিও বানানোর কারনে। তবে আমি মূলত ৪টা ক্যাটাগরিতে ট্রেনিং অফার করি। সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা এই সমস্ত জায়গায় ছেলে-মেয়েদের ট্রেনিং এর মাধ্যমে তাদের স্কিল ডেভেলপ করার চেষ্টা করি। সরকারি কিছু প্রেস্টিজিয়াস প্রতিষ্ঠান যেমন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি মিনিস্ট্রি তাদের বিভিন্ন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং প্রজেক্টে ট্রেনার হিসেবে আমি ট্রেনিং দেওয়ার চেষ্টা করি। এনজিওর ভেতরে- বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন প্রকল্পের এখন আমি ট্রেনার হিসেবে আছি। এর আগে UN Women এবং UNDP-এর প্রজেক্টগুলাতে ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন তাদের সেখানেও ট্রেনিং অফার করেছি। থার্ড ক্যাটাগরি হলো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে – নেটকম লার্নিং এবং মাইক্রোসফট ফান্ডের একটি AI Training Project ‘Agent X’-এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ট্রেইনার হিসেবে দেখা যায় কর্পোরেট প্রফেশনাল যারা রয়েছে তাদের আমি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উপর প্রশিক্ষন প্রদান করি। কাজটা করি রাতের বেলা বা আমার অবসর সময়ে microsoft এর যে কোর্স এবং কনটেন্ট থাকে, সেগুলো আমাকে দিয়ে দেওয়া হয়। আমি তা শিখি, শিখে তাদের প্রজেক্টগুলাতে ট্রেনিং অফার করি। বেক্সিমকো, ব্র্যাক ব্যাংক, ওয়াল্টন গ্রুপ এসকল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে এবং এরকম আমার এখন পর্যন্ত বাংলাদেশর ভেতরে ২০০-এরও বেশি প্রতিষ্ঠানে ট্রেনিং দেওয়ার সুযোগ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এই চার সেক্টরের ট্রেনিং এর পাশাপাশি আমি ভিডিও বানাই। এখন পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রায় চারশোর কাছাকাছি ডিজিটাল স্কিল অর্থাৎ স্কিল ডেভেলপমেন্টের কন্টেন্ট আমার বানানো হয়েছে।
YSSE: একজন Thought Leader হিসেবে আপনি কি ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করেন?
একটা thought leader এর আসলে কন্ট্রবিউটের জায়গা কয়েকটায়। কারো মাথায় হয়তো কোন কনফিউশান থাকলে দূর করে দেয়া, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, এখন আমার কি করা উচিত বুঝতে পারছে না তার প্ল্যান দিয়ে দেওয়া, কোন প্রবলেম আছে তার সলিউশন দিয়ে দেওয়া, দুটি অপশনের মধ্যে তুলনা থাকলে সেটার প্রায়োরিটি সেট করে দেওয়া। Though Leader হিসেবে মূলত আমি এই ইস্যুস গুলা নিয়ে কাজ করি। সংক্ষেপে যদি বলি, Skill development, decision making and relationship. Human relationship = কোন রিলেশনশিপ আসলে কিভাবে ডেভেলপ করা যায়। এই তিনটা সেক্টরকে ভালো করার জন্য, এই সেক্টরগুলোর কনটেক্স, স্পেসিফিক, এ্যাকশন প্ল্যান দিয়ে আমি একজন thought leader হিসেবে কাজ করি।
YSSE: একজন ট্রেনার হিসেবে ট্রেনিং করাতে গিয়ে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মুহূর্ত কোনটি ছিল এবং কিভাবে তা সামাল দিয়েছেন?
ট্রেইনার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মুহূর্ত হয় যখন কেউ আমাদের কাজ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। আমরা যখন স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দিই, তার ফলাফল বা প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে মাপা যায় না – এটা বড় একটি চ্যালেঞ্জ।আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো বয়সজনিত। আমার ক্লায়েন্টদের অনেকেই ৩৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী, তাই মাঝে মাঝে তারা আমার ক্রেডিবিলিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে আমি সবসময় এই বিষয়টি রেজাল্টের মাধ্যমে সামলাই। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ট্রেনিং শেষে আমি ফিডব্যাক ফর্ম দিই এবং ঘোষণা করি – যদি অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে ৭০%-এর নিচে স্কোর পাই, তাহলে কোনো চার্জ নেব না। বেশিরভাগ সময়ই আমরা ৯৩% – ৯৭% ফিডব্যাক স্কোর পেয়ে থাকি।
এছাড়াও, অংশগ্রহণকারীদের জটিল ও অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই অংশটি সামাল দিতে পারি কারণ আমি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিবেট ও প্রতিযোগিতায় জার্জ হিসেবে কাজ করেছি – যেমন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ডিবেট প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনালের জার্জ ছিলাম এবং এশিয়ান অনলাইন ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপে বেস্ট জার্জ নির্বাচিত হয়েছিলাম। এসব অভিজ্ঞতাই আমাকে ট্রেনিংয়ের কঠিন মুহূর্তগুলোতে আত্মবিশ্বাসী থাকতে সাহায্য করে।
YSSE: ‘Life is Very Easy’ বইটি লেখার মূল ভাবনা বা উদ্দেশ্য কি ছিল?
মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ‘রাঙ্গা সকাল’ অনুষ্ঠানে আরজে কিবরিয়া ভাই আমার কাজগুলো দেখে উৎসাহ দেন। তখন আমি দেশের বিভিন্ন ডিবেট, বিজনেস কম্পিটিশন ও মডেল ইউনাইটেড নেশন প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে শতাধিক ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলাম।
পরে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের স্পিচ ও প্রেজেন্টেশন শেখানোর সময় বুঝতে পারি – অনেক তরুণ তাদের বাবা-মার সঙ্গে যোগাযোগের অভাবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমি তাদের ও তাদের পরিবারের সঙ্গে কাউন্সেলিং শুরু করি এবং দেখি, পারিবারিক দূরত্বই অনেক সময় জীবনের জটিলতার মূল কারণ।
এই অভিজ্ঞতাগুলোর ফলেই আমি ২০১৮ সালে প্রকাশ করি ‘Life is Very Easy’ বইটি, যেখানে বাস্তব জীবনের ১১টি সাধারণ সমস্যার সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। বইটি রকমারিতে বেস্টসেলিং তালিকায় ছিল এবং পরবর্তীতে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলাতেও প্রশংসা পায়।
২০১৭ সালে ABC রেডিওতে আমার কাজ নিয়ে প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকার রেডিও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সর্বোচ্চ TRP অর্জন করে। সেই পর্ব থেকেই মূলত বই লেখার অনুপ্রেরণা আসে। পরে ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় আমার দ্বিতীয় বই
‘জীবন ও জগতের গল্প’।
YSSE: তরুণদের সবচেয়ে মধ্যে বড় কোন সমস্যাগুলি লক্ষ্য করেছেন এবং সে বিষয়ে তাদের কি উপায়ে গাইডলাইন দিয়ে থাকেন?
এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার তরুণের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান সেশন করার অভিজ্ঞতায় আমি তিনটি বড় সমস্যা লক্ষ্য করেছি:
- তথ্যের অভাব: অনেকে জানে না তাদের বিষয় বা পড়াশোনা ভবিষ্যতে কোথায় কাজে লাগবে।
- মিস- টাইমিং: অনেক সময় সঠিক তথ্য বা পরামর্শ তারা তখনই পায়, যখন সময় পেরিয়ে গেছে।
- সাপোর্ট সিস্টেমের অভাব: বাবা-মা, শিক্ষক বা বন্ধুবান্ধব – কারও কাছ থেকেই পর্যাপ্ত সহায়তা পায় না। আসলে আমি যেসব গাইডলাইন দিই তা খুব জটিল কিছু নয়; কিন্তু এই মৌলিক সাপোর্ট তারা যদি পরিবার ও সমাজ থেকে পেত, তাহলে হয়তো আমার গাইডেন্সেরও প্রয়োজন পড়ত না।
YSSE: এই পথচলায় কোন বাধা বা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন? হলে তা কিভাবে কাটিয়ে উঠেছেন?
প্রতিটি মানুষকেই তার ফিল্ডে কিছু না কিছু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। আমি তিনভাবে এটি মোকাবিলা করি –
- যদি কোনো সমস্যা এড়ানো সম্ভব হয়, আমি সেটি এড়িয়ে যাই।
- যদি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব না হয়, দেখি সমস্যা সাময়িক নাকি স্থায়ী। সাময়িক হলে ধৈর্য ধরে মোকাবিলা করি, স্থায়ী হলে ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করি।
- আমি সবসময় চেষ্টা করি যেন কারও সঙ্গে শত্রুতা না হয়। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার জন্য আগেভাগেই মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখি, সাহায্য করি – যাতে বিপদে আমাকেও কেউ সাহায্য করতে পারে।
এখানেই শেষ নয়, আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন, দ্বিতীয় পর্বে চলবে কথোপকথনের পরবর্তী ধারা।
এরকম আরো ব্লগ পড়তে, এখানে ক্লিক করুন।
লেখক,
ফারজানা রহমান
ইন্টার্ন, কন্টেন্ট রাইটিং ডিপার্টমেন্ট
YSSE
